মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বঙ্গবন্ধু চিন্তা নিবাস

১৯৭০ সালের বন্যার ও ১২ই নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ওই ঝড়ের আঘাতে ভোলা তছনছ হয়ে যায়। ধারণা করা হয় ৩-৫ লক্ষ প্রাণহানি হয় সেসময়। সালের বন্যার পর ১৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মনপুরার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন। সেসময় তিনি মনপুরাকে শান্তির দ্বীপ উল্লেখ করে মনপুরায় চিন্তা নিবাস করার ভাবনার কথা বলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে চিন্তা নিবাস করার পরিকল্পনা অনুযায়ী অবকাঠামো করতে প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছিল। চিন্তা নিবাসের জন্য ইট, বালু ও সিমেন্ট পাঠান এবং কাজও কিছু দূর এগিয়ে যায়। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাযজ্ঞের পর বঙ্গবন্ধুর ওই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বর্তমানে চিন্তা নিবাসের ওই স্থানটি নদীগর্ভে বিলীন।

২০১৩ সালে তৎকালীন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ফের চিন্তা নিবাস করার উদ্যোগ নেন। পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে একটি টিম এসে জমিরশাহ বাঁধের দক্ষিণ পাশের জায়গা পরিদর্শন করেন। অর্থ বরাদ্দ না হওয়ায় এরপর থমকে যায় ওই উদ্যোগও।

বর্তমানে “বঙ্গবন্ধু চিন্তা নিবাস” নির্মাণ প্রকল্প পুনরায় বাস্তবায়ণ করার জন্য ভোলা জেলা প্রশাসন ও মনপুরা উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে। সম্ভাব্য স্থান হিসেবে চর ফৈজুদ্দিন খালের নিকটবর্তী মনোরম স্থান, দক্ষিণ সাকুচিয়া মেঘনা নদীর সৈকতের নিকটবর্তী বনাঞ্চলের পাশের নৈসর্গিক এলাকা এবং মনপুরা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের নিকটে যেকোন একটি স্থান বেছে নেয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনে পক্ষ থেকে তিন বছর মেয়াদী পরিকল্পনা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে যার মধ্যে “বঙ্গবন্ধু চিন্তা নিবাস” প্রকল্প অন্যতম।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter